farming বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় ভবিৎষত, What best 5?

trees g0e5cc6824 640

বাংলাদেশ কৃষি এবং খাদ্যদ্রব্য চাষ, framing এ সম্ভাবনা ময় একটি দেশ ।

 

বাংলাদেশে লাভজনক কিছু ভালো কৃষি ব্যবসার ধারণা গুলো। যা সামাজিক প্রকৃতি, আধুনিক প্রযুক্তি, মানুষজন এবং স্থানীয় বাজারের মধ্যে একটি লাভবান হওয়ার হাতছানি দেয়, তাই কৃষিকাজ একটি সম্ভাবনা ময় ব্যাবসা । একটি নির্দিষ্ট ফসল রোপণের সময়, আঞ্চলিক আবহাওয়ার ধরণ, দেশের বাজারমূল্য ওঠানামা করা, সঠিক বীমা প্রকল্প এবং বাণিজ্যের শর্তাবলী নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যায়। সুতরাং, এটি প্রতিটি কৃষককে ঐতিহ্যগত ভাবে খামার আয়ের সাথে একটি ব্যবসা করার সময় আরও বেশি সুযোগের সাথে বাজারে তার অবস্থান অর্জন করতে সহায়তা করবে।

 

farming সম্পর্কে বাংলাদেশের শীর্ষ 5টি কৃষি ব্যবসার ধারণা, যা আপনি সহজেই স্বল্প শুরুতে করতে পারেন।

Farming

পোল্ট্রি farming ব্যবসা :

পোল্ট্রি farming মধ্যে রয়েছে ডিম ও মাংস উৎপাদনের জন্য মুরগি লালন-পালন, কোয়েল পাখি এবং অন্যান্য পাখি পালনসহ ডিম উৎপাদন করা সম্ভব। কিন্ত পোল্টি farming বলতে গেলে আমরা মুরগি পালনের কথা বলি। বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের সকল দেশেই পোল্ট্রি farming পণ্য ব্যাপকভাবে পালন করা হয়। যার কারণে মুরগির খামারীদের একটি বড় বাজার রয়েছে।

 

আর আপনি পশু প্রজনন ব্যবসা শুরু করতে পারেন । প্রজনন ব্যবসা মধ্যে অন্যতম একটি হল হাঁস-মুরগির প্রতিপালন করা । এবং, ডিম সরবরাহ করা, farming এ মুরগির খামারিদের জন্য রাজস্ব উৎপাদনের মূল উৎস। প্রতিটি দেশে খাদ্য হিসেবে পাখির মাংস এবং মুরগির মাংস ও ডিমের প্রচলন রয়েছে। বাংলাদেশ বাণিজ্যিক ভাবে মুরগি পালনের জন্য অন্যতম চাহিদা সম্পূর্ণ দেশ। পোল্টি farming ব্যবসা এমন একটি সুযোগ, যার মাধ্যমে ইতিমধ্যে অনেকই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও, পোল্টি শিল্প সুপরিচিত, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বেশ ভালো প্রভাব নির্ভর করে।

 

অর্থনীতির বেশিরভাগই কেবল কৃষির উপর নির্ভরশীল নয়, কৃষি ছাড়াও অনেক উৎপাদন শিল্পের উপর নির্ভরযোগ্য। সুতরাং, বাংলাদেশে প্রাণিজ প্রোটিনের প্রধান উৎস হল মাংস এবং ডিমের মতো পোল্ট্রি পণ্য। পোল্ট্রি ছাড়াও অনেক কিছু যেমন, কোয়েল পাখি, টার্কি মুরগি, হাঁস, কবুতর এবং ময়ূর ইত্যাদি পালন করা হচ্ছে। সেজন্যই বাংলাদেশে পোল্ট্রি ফার্মিং সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।

farming

কোয়েল পাখি পালন

কোয়েল পাখি মাংস এবং কোয়েল পাখির ডিমের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। অনেকই এখন কোয়েল পাখির মাংসের চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি কোয়েল পাখির ডিম বাণিজ্যিক ভাবে চাষের জন্য farming করতেছে। কোয়েল পাখি farming শুধুমাত্র ব্যাবসায়িক আইডিয়া নাহ , বরং সল্প খরচের মধ্যে একটি লাভজনক ছোট ব্যবসা।

 

এছাড়া, এই ব্যবসা শুরু করতে 5 hazar এর মতো কম খরচ একটি কোয়েল পাখির খামার প্রকল্প শুরু হয়। বাণিজ্যিক ভাবে কোয়েল পাখি পালনে অনেকেই জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। কোয়েল পাখি পালনের লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগে , ফ্রামং করার শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই একটি কার্যকর ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। শুধু কোয়েল পাখি না বরং সব ধরনের কৃষি ব্যবসা শুরু করার আগে পরিষ্কার এবং পরিকল্পনা মূলক ব্যবসার কৌশল গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।

 

যেহেতু কোয়েল পাখি পোল্ট্রি ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রতম প্রজাতির মধ্যে একটি প্রজনন খামার প্রকল্প, তাই কোয়েল পাখি খামার বজায় রাখা খুব সহজ। মাংস ও ডিম উৎপাদনের উদ্দেশ্য বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভাবে কোয়েল পালন অল্প খরচে অল্প সময়ে খুবই সহজ।

Farming

বাণিজ্যিক ভাবে মাছ চাষ

বাংলাদেশে মাছ চাষ খুবই লাভজনক ব্যবসা। এছাড়াও, যারা কৃষি শিল্প থেকে অর্থ উপার্জন করতে আগ্রহী তাদের জন্য এটি একটি বড় পরিকল্পনা ব্যাবস্থা। পৃথিবীর প্রায় দেশে খাদ্য তালিকায় মাছের চাহিদা থাকায়, মাছের একটি বড় বাণিজ্যিক চাহিদা সম্পর্ণ বিশ্বজুড়ে রয়েছে।

 

বাংলাদেশে মাছ চাষ দেশের বড় এবং মোট জাতীয় আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। মাছ চাষের জন্য কিছু পদক্ষেপ খুবই জরুরি প্রাথমিক পর্যায়। বাংলাদেশে মাছ চাষ শুরু করার জন্য অনেক নদী / খালবিল এবং অসংখ্য অনেক চাষের পুকুরের উৎস রয়েছে। যদি সংক্ষেপে বলি তাহলে বাংলাদেশ নদী এবং বিভিন্ন ধরনের জলের উৎস যেমন পুকুর, স্রোত এবং লেক ইত্যাদি দ্বারা বেষ্টিত। এছাড়া বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাছ চাষের সাথে জড়িত।

 

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে যারা বসবাস করে , সবাই প্রায় সরাসরি বাণিজ্যিক মাছ চাষের সাথে জড়িত। বাংলাদেশে বাণিজ্যিক মাছ চাষের সেরা স্থান হিসেবে খুলনা, বরিশাল, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ইত্যাদি রয়েছে। দেশের আমিষ খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে ,প্রতি বছর অর্থনৈতিক ভাবে মাছ আমদানি করে বিদেশি মুদ্রা অর্জন করা যায় ।

 

Farming

কৃষিক্ষেত্রে ধান চাষ

বাংলাদেশে ধান চাষের ব্যবসা, ব্যবসা হিসাবে নয়, বরং মানুষের খাদ্য চাহিদার জন্য বড় একটি লক্ষ্য।ধান বিশ্বের সব জায়গায় চাষ হয় না। যদি আমরা লক্ষ্য করি কৃষি ফসল মধ্যে সেরা এবং সকল কিছুর বিকল্পগুলির মধ্যে একটি হল ধান চাষ। তবে, ধান চাষ করার এলাকা হিসেবে সবচেয়ে বেশি পছন্দনীয় অঞ্চল (বিশেষত জলাবদ্ধ এবং জলাবদ্ধ এলাকা)। যে অঞ্চলগুলি মাটির গঠন এবং জলবায়ু পরিস্থিতি ধানের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে।

 

তবে আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যে আপনি ধান চাষ থেকে প্রচুর মুনাফা অর্জনের আগে ধান চাষ শুরু থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ থেকে ব্যাগিং এবং খুচরা বিক্রেতার সমস্ত পথ অনুসরণ এবং পর্যাচলনা করতে হবে। এবং সফলভাবে ফসল কাটার পর আপনি কাঁচা ধানের জন্য অনেক সহজলভ্য ক্রেতা খুঁজে পাবেন। ধানের ক্রেতা তারাই ,যাদের চাল প্রক্রিয়াজাতকরণ, ব্যাগিং এবং পাইকারি চাল ,ধান বিক্রির কারখানা রয়েছে।

Farming

বাংলাদেশে পশুপালন খামার বা farming

দেশে যারা পশুপালন ব্যবসায় জড়িত আছে, দিনদিন পশুপালনের মাধ্যমে তাদের সাফল্যের সংখ্যা বাড়ছে। পশু পালন ফ্রামে যেমন ভালো লাভ হচ্ছে, তেমনি ব্যবসাও বাড়ছে। কিন্তু, উৎপাদিত ফিড ও খাদ্য সমূহের গুণাবলী যদি খুব ভাল হয় ,তবে পশু পালনের জন্য খাদ্য তালিকায় এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিক। আপনি একজন স্মার্ট বিনিয়োগকারী হিসাবে, পশু শিল্পে, পশুদের খাওয়ানোর জন্য ফিড উৎপাদনে বিনিয়োগ শুরু করতে পারেন।

 

তবে, আপনাকে কিছু জিনিস নিশ্চিত করতে হবে, প্রকল্প পরিকল্পনা যাতে আপনি আরও লাভ করতে পারেন। পশু পালন এবং ফিড শিল্পে এর মধ্যে রয়েছে- অনেক গবেষণা , যার মাধ্যমে পুষ্টিগুণে ভরপুর ও দ্রুত বৃদ্ধি করার গ্রহণ যোগ্যতা থাকতে হবে খাদ্যে । যাতে পশুদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে একটি চাহিদা অনুযায়ী এটি কাজ করে ।

 

বাংলাদেশে পশু খামার প্রকল্পের মধ্যে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মেষ ইত্যাদি পালন করা হয়। যার মাধ্যমে আমাদের দেশের খাদ্যের প্রয়োজন মেটায় ।এবং গরুর মাংসের পাশাপাশি দুধের সব চাহিদা পশু পালনের মাধ্যমে মিটানো হয়। পশু পালন নিঃশসন্ধে একটি লাভজনক ব্যবসা যদি সেটা পরিকল্পনা সহকারে করা হয় ।

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *