Health কি? Health equity কয়েকটি উপায়

blood pressure monitor ga5a888710 1280

Health / স্বাস্থ্য আসলে কি?

Health এটির উত্তর খুব সহজে দেওয়া কঠিন। কারণ এই একটি শব্দের মধ্যে মানুষের জীবনের সব কিছু আছে। ধরুন, আপনার শরীরে কোনো রোগ নাই তাহলেই কি আপনাকে সুস্থ্য বলা যাবে? না, কারণ শরীরিকভাবে সুস্থ্য হলে শুধু হবে না মানসিক ও সামাজিক আরো দুটি দিক রয়েছে। সেগুলায়ও আপনাকে সম্পূর্ণ ঠিক থাকতে হবে। তাহলে কিছুটা ভালো বলা যেতে পারে।

 

এক জন মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, মানসিক অবস্থা, সমাজে সবার সাথে সম্পর্ক, মানসিক চাপ কিংবা প্রশান্তি সব কিছুই স্বাস্থ্যের অন্তর্গত। বিশ্বের সকলের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে WHO (World Health Organisation) নামের এই সংগঠন। তাদের মত অনুসারে স্বাস্থ্য হলো আমাদের সামাজিক, মানসিক ও শারীরিক সুস্থ্যতার পূর্ণ সমন্বয় হলো স্বাস্থ্য।

Health equity

স্বাস্থ্য সমতা কি (health equity)

Health equity হলো এমন একটি ব্যাপার যেখানে সবাই সুস্বাস্থ্যের জন্য ন্যায্য অধিকার ঠিক মতো পাবে। সুস্বাস্থ্য অর্জনের যতগুলো ব্যাপার প্রয়োজন তার সবগুলো একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ঠিক মতো পাবে। এটি নিয়ে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন সংস্থ্যা কাজ করে আসছে।

 

পৃথিবীর বহু মানুষ রয়েছে যারা সুস্বাস্থ্যের মৌলিক অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাদের জন্য World health নানা ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু বর্তমানের এই পুঁজিবাদি সমাজের মধ্যে এটির কথা চিন্তা করলে উত্তর পাওয়া কঠিন হয়। কারণ পুঁজির প্রধান লক্ষ্য হলো মুনাফা অর্জন এটি ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে এটির লক্ষ্য নেই।

 

Health / Health equity প্রকারভেদ:

স্বাস্থ্যের প্রকারভেদ নিয়ে বিভিন্ন গবেষকদের নানা মতামত রয়েছে। তবে সবার মতামতের ভিত্তিতে ৭ ধরনের স্বাস্থ্যকে সর্বজনীনি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। নিচে সবগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

 

১. শারীরিক Health 

শারীরিক স্বাস্থ্য হলো মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটির শতভাগ না থাকলে কোনো ভাবেই মানুষ সুস্থ্য বা ভালো থাকতে পারে না। এই স্বাস্থ্যের মানে হলো শরীরে কোনো ধরনের রোগ নেই। শরীর স্বাভাবিক সব কাজের জন্য ঠিক। এই স্বাস্থ্য সব মানুষের শতভাগ থাকা প্রয়োজন হয়।িএটি ছাড়া আসলে অন্য কোনো কাজ করার সামর্থ মানুষের মধ্যে থাকে না।

Health equity

২. মানসিক স্বাস্থ্য

মানসিক স্বাস্থ্য হলো মানুষের হৃদয়ের সঙ্গে বেশ নিবিড় সম্পর্ক। এই স্বাস্থ্যও মানুষের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর কারণ এটি ছাড়া মানুষ পরিপূর্ণভাবে সুস্থ্য থাকতে পারে না। আপনি শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাস্ত্যবান হলেও যদি মানসিক ভাবে ঠিক না থাকেন তাহলে পূর্ণ সুস্থ্য আপনি হতে পারবেন না।

 

৩. সামাজিক স্বাস্থ্য

মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের মানুষের বসাবস করতে হয়। তাই মানুষের জন্য এটিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। হয়তো আপনি এমন এক সমাজে বাস করছেন যার মধ্যে আপনি কখনো শান্তি খুঁজে পাননি তাহলে কিন্তু আপনি সুস্থ্য হলেন না। ফলে এই স্বাস্ত্যও মানুষের ঠিক হওয়া উচিত। এটির কারণে অনেক সময় মানুষের শারীরিক সমস্যারও সৃষ্টি হয়।

 

৪. ইমোশনাল হেলথ

মানুষ মাত্রিই বিভিন্ন কাজে ইমোশন বা আবেগ থােকবে। কিন্তু কোনো বিষয়ে অতিরিক্ত আবেগ দেখানোও এক ধরনের সমস্যা এতে মানুষের ভিন্ন হরমনাল নিঃসর্ণ সমস্যা হয়। ফলে অন্যান্য সব ধরনের স্বাস্থ্যের সঙ্গে এটি বেশ জড়িয়ে আছে।

৫. স্পিরিচুয়াল হেলথ

মানুষের আত্মিকভাবে সুস্থ্য বা স্বাভাবিক থাকাও জরুরী। কোনো মানুষ যদি আত্মিক ও বিশ্বাসের মাধ্যমে বার বার ঝামেলায় পড়ে বা সন্দেহ থাকে তাহলে তার জন্য এই আত্মিক সুস্থ্য থাকা কঠিন হয়ে যায়। তবে অনেক সিচুয়েশনের কারণে মানুষের এই স্বাস্থ্যের পরিবর্তন হতে পারে। সেটি যাতে না হয় তার যত্ন নিতে হব।

৬. ইকোনমিকাল হেলথ

বর্তমানের এই পুঁজিবাদী সমাজের সুস্থ্য থাকার অন্যতম মন্ত্র হলো ইকোনমিকাল ভাবে সুস্ত্য থাকা। অর্থাৎ আপনার প্রয়োজনের মতো অর্থ আপনার কাছে থাকে বা আসে। এটির কারণে অনেক মানুষ বিভিন্ন অসুস্থ্যতায় ভোগে। তাই এ ধরনের স্বাস্থ্য ঠিক থাকা বেশ ভালো।

 

৭. বুদ্ধিগত স্বাস্থ্য

মানুষের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট হলো বুদ্ধিবৃত্তি। এটির মাধ্যমে আজ মানুষ সেই জঙ্গল থেকে সমতলে ফিরে এসেছে। এবং মানুষ আজ নানা প্রযুক্তির উদ্ভব করেছে। মানুষের জন্য এই গুণটি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।

Health equity

সুস্থ্য থাকার কয়েকটি উপায়:

  • ১. নিজের পছন্দের কাজ করুণ নিয়ম করে।
    ২. বেশি করে হাঁটুন।
    ৩. নিজেকে সময় দেন।
    ৪. নিয়মিত ব্যয়াম করতে পারেন।
    ৫. মাঝে মাঝে ঘুরতে যেতে পারেন।
    ৬. শাক-সবজি বেশি করে খাওয়ার চেষ্টা করুন।
    ৭. নিদিষ্ট সময় ধেরে ঘুমানো।
    ৮. পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো।
    ৯. ধর্মীয় চর্চা করা।
    ১০. খেলাধুলা করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *